ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ , ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় জনতার হাতে ধৃত মাদক কারবারি পুলিশ হেফাজত থেকে উধাও

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৬-২০ ১৫:০৯:১২
কেন্দুয়ায় জনতার হাতে ধৃত মাদক কারবারি পুলিশ হেফাজত থেকে উধাও কেন্দুয়ায় জনতার হাতে ধৃত মাদক কারবারি পুলিশ হেফাজত থেকে উধাও
স্টাফ রিপোর্টারঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের চেংজানা গ্রামে জনতার হাতে ধৃত এক চিহ্নিত মাদক কারবারি ও তার পরিবারের সদস্যদের পুলিশ হেফাজত থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় লোকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি আজিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী সালেহা এবং ছেলেকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন আজিজুল। স্থানীয়দের ভাষ্য, একাধিকবার সতর্ক করার পরও তিনি ও তার পরিবার এ কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসেননি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনতার হাতে মারধরের পর আহত আজিজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিজুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

সময় আজিজুল ইসলামের ছেলে আসাদুল এক্স-রে করার কথা বলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তার স্ত্রী সালেহাও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। স্থানীয় জনতার অভিযোগ, তাদের হাতে ধৃত ব্যক্তিরা পুলিশ হেফাজতে থাকার পরও পালিয়ে যেতে সক্ষম হওয়ায় বিষয়টি রহস্যজনক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সান্দিকোনা ইউনিয়নের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, আজিজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোয় এর আগে কাজল নামে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনার জের ধরেই শুক্রবারের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে কেন্দুয়া থানা পুলিশ দাবি করেছে, আজিজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের মাদকসহ আটক করা হয়নি। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হওয়ায় মানবিক কারণে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মুহূর্তে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ